Home » 2020 » April

Monthly Archives: April 2020

বিএসপির সদস্য কবি আব্দুল আলিম আর নেই

মো. মোস্তাফিজুর রহমান : বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের সদস্য কবি ও ডাক বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ কর্মচারী আব্দুল আলিম (৭০) আর নেই। মঙ্গলবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। (ইন্না… রাজিউন) বুধবার জোহরবাদ তার জানাজা শেষে ঘোপ কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার স্বজনরা যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার আহমেদ তারেক সামস রাত ১১টা ৫০ মিনিটে মৃত্যু ঘোষণা করে বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। বুধবার জোহরবাদ জানাজা শেষে ঘোপ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।

কবির মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে সংগঠনের সকল সদস্যদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। বুধবার সকাল ১০টার দিকে কবির বাড়িতে ‍ছুটে যান সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি পদ্মনাভ অধিকারী এবং সাধারণ সম্পাদক কবি গোলাম মোস্তফা মুন্না। তারা দুইজনে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।  সবাইকে সাত্বনা দেন।

কবি আব্দুল আলিম দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ কর্মচারী ইউনিয়নে নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। অবসর যাওয়ার পর তিনি অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃত্ব দেন।

বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের সদস্য কবি আব্দুল আলিম মৃত্যুকালে তিন মেয়ে, দুই ছেলে স্ত্রীসহ অসংখ্যক আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন। এদিকে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মো. সামসুজ্জামান, সহসভাপতি কাজী রকিবুল ইসলাম, আমির হোসেন মিলন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মুন্না, সহসাধারণ সম্পাদক নূরজাহান আরা নীতি, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল হাসনাত সজল, কোষাধ্যক্ষ আবুল হাসান তুহিন, অফিস সম্পাদক শরিফুল আলম, নির্বাহী সদস্য আহমেদ মাহাবুব ফারুক, অ্যাড. মাহমুদা খানম, নাসির উদ্দিন, সোনিয়া সুলতানা চাঁপা। অনুরূপ বিবৃতি দিয়েছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি পদ্মনাভ অধিকারী, উপদেষ্টা ডা. আবুল কালাম আজাদ, ড. মো. মুস্তাফিজুর রহমান, কলামিষ্ট আমিরুল ইসলাম রন্টু প্রমুখ।

একুশের পত্র ১৯৯তম সংখ্যা

 

একুশের পত্র : ১৯৯ তম সংখ্যা

প্রকাশকাল : মাঘ ১৪২৬, ফেব্রুয়ারি ২০২০

সম্পাদক : আহমদ রাজু,  প্রচ্ছদ : ডাঃ এম, এস অধিকারী

প্রকাশনায় :  বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদ, কারুকাজ, কেশবলাল রোড, যশোর

সার্বিক যোগাযোগ : সম্পাদক “ একুশের পত্র”

বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদ, যশোর আয়োজিত ১৯৯তম সাহিত্য সভায় পঠিত, আলোচিত, সমালোচিত লেখা নিয়ে এ একুশের পত্র।

এক ব্যর্থ ভালবাসার গল্প

চয়ন বাবু কর

নিজের থেকেও বেশি তোমায় বেসেছিলাম ভাল

জীবন থেকে চলে গেলে নিভিয়ে দিয়ে আলো।

তোমায় নিয়ে ভেবেছিলাম গেঁথেছিলাম আশা

আজ সত্য মিথ্যা প্রশ্নের মুখে আমার ভালবাসা।

পূর্ণ হৃদয় দিয়ে ভালবেসেছিলাম তোমাকে

আজ ভালবাসা বদলে গিয়ে জল ঝরে দুই চোখে।

তোমার নাম আজও লেখা আমার এ দুই হাতে

কেউ ছেড়ে গেলে কতটা কষ্ট হয় তুমি সেদিন বুঝবে,

যেদিন তোমার ভালবাসা ঘুরে বেড়াবে অন্য কারোর সাথে।

জানি সেদিন তোমার কষ্ট হবে লাগবে মনে ব্যথা,

সেদিন তোমার মনে পড়বে আমার প্রেমের কথা।

যতবার ভাবি, ভুলে যাব তোমায় রাখবো না আর মনে

কিন্তু তোমার স্মৃতি মনে পড়ে প্রতি ক্ষণে ক্ষণে।

তোমাকে নিয়ে পূরণ করা আমার ডাইরীর পাতা

তোমার জন্য আজও খোলা আমার মনের খাতা।

যেদিন তুমি বুঝতে পারবে সেদিন যাবো দূরে

আমাকে তুমি খুঁজে পাবে আমার গানের সুরে।

চলছি না আর তোর পথে আজ মেঘে ঢাকা আকাশ,

আমাকে যদি মনে পড়ে তবে পিছনে ফিরে তাকাশ

আজ নিজের সাথেই কথা বলি নিজের বিবেক ছুঁই।

বুঝা মুশকিল

পদ্মনাভ অধিকারী

মন জানে না মনাকাশে নানান মেঘ

কোথাথেকে আসে, ওরা যায় ই বা

কোথায় চলে! ঠিক যেন মৌসূমী সব পাখী।

হাওয়া পাল্টেযাবে বুঝলে,

ওরাও বদলেযায় বদলেনেয়

নিজেরা নিজেদের-!

খুঁজেনেয় নিজেদের মতো

আকাশ-জলা আর

চারণ ভূমি, সব যেন

পূর্বপরিকল্পনাতেই-!

ওদের বুঝা মুশকিল।

ক’খন-কোথায়, কীভাবে

কী করা দরকার, তা

ঠিক ঠিক করেই চলে-!

আশা আর ভাষা,

ওরা ওদের মতো বুঝে- বুঝে নেয়,

যেমনটি বায়ান্নতে ভাষার আশা

ব্যক্ত করেছিল ভিন্নমাত্রায়- ছাত্র-জনতা।

জীবন আর কথা

আহমেদ মাহবুব ফারুক

একদিন আনন্দ ছিল, হাসি ছিল

কথা ছিল, মাতৃত্ব ছিল অটুট।

মন খোলা ভাষা ছিল অনাবিল।

জীবন ছিল জীবনের মতো।

সবটাই ঠিকঠাক স্বাভাবিক।

হৃদয়ে বহমান আনন্দধারায়

সহসা ছন্দ পতন।

শকুনদের নিম্নগামী শাণিত দৃষ্টি

কণ্ঠরোধের পায়তারা!

মনের গহীনে আশঙ্কা আর উদ্বেগ

মাকে ভুলে যাবার অশনি সংকেত!

মা- সন্তানের সম্পর্কে ঘেরা দেয়াল!

দামাল সন্তানদের ঐক্যজোট

অতঃপর মারমুখী আন্দোলন…

শকুনীদের খাবলে খাওয়া দেহ

ছোপ ছোপ রক্ত আর

ছালাম বরকত রফিক শফিকএর নিস্তেজ

হাসি মাখা মুখ আর চারিদিক থেকে

ভেসে আসা হাজারো কণ্ঠ-

মাগো, আমি তোমায় বড্ড ভালবাসি…

ভুলে যাওয়া অন্ধকার

আরশি গাইন

রাতের বুক চিরে সনাতনী বাতাস গিলে খাবে

ভালবাসার বেহুলাদিন

ঘুমন্ত শঙ্খচিলের দারুচিনি অনুভব নিষ্কন্টক

জানালায় পৌঁছে দেবে ভুল বানানের নীল চিঠি

আর স্বপ্নচোরা একখণ্ড আকাশ

বিবর্ণতা নিয়ে খসে পড়বে অমরাবতী সীমানায়

ঠিক সেই মুহূর্তে

ঠোঁটে তোমার এঁকে দেবো নিষ্কলঙ্ক রাতের মানচিত্র

বিশুদ্ধ উর্বরতায় ভরে উঠবে অনাবাদি নদী

দু’চোখ ভরা সমুদ্রের উর্মি দোলায় দুলতে দুলতে

ডুবে যাবে যৌবনবতী সূর্য

তখন জেনে নিও

নিজেকে পাঠ করে তুমিও পৌঁছে গেছো

আমার নিজস্ব স্টেশনে

ভীষণ অন্ধকারের আলোয় হেঁটে চলা

পঞ্চমী তত্ত্বের গিলে খাওয়া চাঁদ

যখন নৃত্য করবে ঝুল বারান্দার

দ্বিমাত্রিক সম্পর্কের সাথে

বিমূর্ত চিৎকারের আগেই সব চেতনারা

আশ্রয় খুঁজবে ফুলের টব কিংবা ফেলে দেওয়া বোতলের চিমনিতে..

বসন্ত

রেজাউল করিম রোমেল

বসন্তকে স্বাগতম

কোকিলের গান দিয়ে

বনে বনে ফোটে ফুল

মিষ্টি সুবাস নিয়ে।

পুরোনো পাতা ঝরে যায়

গাছে নতুন পাতা আসে

কবিরা কবিতা লেখে

প্রকৃতির আনন্দে ভাসে।

প্রেম পবিত্র, প্রেম শ্বাশত

মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর

হে স্রষ্টা, কেন তুমি মানুষকে ভালবাসতে শেখাও

ভালবেসে তাকে হাসাও আবার তাকে কাঁদাও।

মানুষের জীবনে প্রেম দাও আবার তা ছিনিয়ে নাও

তার জীবনে প্রিয়জন দাও-আবার তাকে কেড়ে নাও,

পাওয়া-না পাওয়ার এই যে খেলা চলছে চিরকাল

প্রেমের আছে এক সর্বনাশা ছোবল।

প্রেমে ব্যর্থ হয়ে কত মানুষ পাগল হয়েছে

কত মানুষ আত্মহত্যা করেছে

অগণন প্রতিভা অঙ্কুরে ঝরে গেছে

সুলতানা রাজিয়া আলতুনিয়া কৃতদাসের প্রেমে পড়েছেন

প্রেমের কারণে অষ্টম এডওয়ার্ড রাজ্য-রাজত্ব ছেড়েছেন।

পার্বতী-দেবদাস, শিরি-ফরহাদ, লাইলি-মজনু

ইউসুফ-জুলেখা, রোমিও-জুলিয়েটের প্রেম কাহিনী

পৃথিবীর ইতিহাসে আজও অমর কাহিনী।

মমতাময়ী মমতাজকে হারিয়েছেন সম্রাট শাহজাহান

অমর সমাধী প্রেমের তাজমহল গড়েছেন।

“প্রকৃত প্রেম শুধু কাছেই টানে না,  প্রিয়জনকে দূরেও ঠেলে দেয়”

প্রকৃত প্রেম বারবার ভেঙে আবার নতুন করে জন্ম নেয়।

প্রেম জীবনকে দেয় ঐশ্বর্য, মৃত্যুকে দেয় মহিমা

তাই প্রেম পবিত্র, প্রেম শ্বাশত।

নষ্ট সমাজ

মো. নজরুল ইসলাম

অনেক সমস্যায় সমাজ আজ

নিমজ্জিত হচ্ছে সর্বক্ষেত্রে তাই।

হাজার প্রতিবাদে ঝড় তুললেও

সমস্যা সদাধানের, পথ নাই

এই সমাজে মানুষ সব হিংস্রতাই ক্ষিপ্ত

অন্যায় জালে শিকার তাই

সভ্যতার পথ নষ্ট

সবাই যদি বদ মেজাজী করে

দেশ চলে না ভদ্রতার বলে।

শক্তি দিয়ে লুটছে মালা, খেলছে পাশা

জয়ের গাদা।

অন্যায় জালে সবাই পড়ে, সভ্য যাচ্ছে চলে

ভালবাসার মানবকল্যাণ হারাচ্ছে সবাই মিলে

আমরা সবাই ভদ্রতার পরিচয় নিয়ে চলি

সমাজ ভাঙছে মিলে মিশে সবই

শুধু মানবতা হারা ব্যধি।

এই কুৎসিত সমাজে দেখি

মানবকল্যাণ ন্যায়ের ধারা

সুদক্ষ গড়বো আমরা।

ক্লান্তিহীনের এক অবিরাম পথচলা

মোহাম্মদ আব্দুল খালেক

আমাদের সুপ্রিয় আমিরুল ইসলাম রন্টু ভাই,

তুমি ক্লান্তিহীনের এক অবিরাম পথচলা।

অম্লান বদনে পার করলে জীবনের সাতাত্তর

তবু তুমি এখনও একজন মিষ্টভাষী বলিষ্ঠ আটাত্তর।

জীবনের শুরুতে সেই কবেকার কথা-

জন্মেছিলে তুমি মুন্সী মেহেরুল্লার পথচলা,

ছায়া সুনিবিড় সবুজ ঘেরা গ্রাম ছাতিয়ানতলা।

কলেজ জীবনে তুমি ছিলে একজন তুখোড় ছাত্রনেতা,

গড়ে ছিলে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের একতা।

কর্মজীবনের শুরুতে তুমি ছিলে একজন আদর্শ প্রধান শিক্ষক,

অসংখ্য কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিবিড় পথ প্রদর্শক।

তুমি ছিলে চুড়ামনকাঠি ইউনিয়নের বারবার চেয়ারম্যান,

আজও আছো তাই সেখানকার গণমানুষের হৃদয়ে অম্লান।

তুমি এখন একজন কলামিষ্ট, বীর মুক্তিযোদ্ধা,

তুমি একজন সমাজসেবক, রাজনৈতিক বোদ্ধা।

তোমার কলম চলে অবিরাম অনন্ত,

প্রতিটি ঘটনার আড়ালে তুমি থাকো জীবন্ত।

শহরের ব্যস্ততম পীচঢালা রাজপথ ধরে,

তুমি হেঁটে চলো বিভিন্ন পত্রিকার অফিস ঘরে।

ফুলটি রেখেছি ধরে

মাহমুদা খানম

তুমি আসবে বলে

ফুলটি আমি রেখেছি ধরে,

আকাশের নীচ দিয়ে পাখি উড়ে যায়।

আলোর ঝলকানিতে তারাগুলো জ্বলে রয়

তুমি আসবে বলে

কাঁশফুল চাঁদের আলোয় বিকিরণ দেয়

নৌকা বাইচে মাঝি মল্লারা

সুর ধরে গান গায়।

তুমি দেখবে বলে

নদীর এক প্রান্তে ফুলটি আমি রেখেছি ধরে।

তুমি আসবে বলে-

ফুলটি আমি রেখেছি ধরে

তুমি আসবে বলে, ফুলটি আমি রেখে ধরে।

একুশের জাগ্রত চেতনা

আমিরুল ইসলাম রন্টু

একুশের জাগ্রত চেতনাবোধ থরে বিথরে সাজানো

আমি এখনো চলি ফিরি উদ্দেশ্য চেতনাবোধ বাড়ানো।

একুশ আমাদের মনোমধ্যে সদা সর্বদা চলমান

মন মননের মননশীলতায় সারাক্ষণ বিরাজমান।

অন্তর মধ্যে ধীরে ধীরে একটু একটু বিকাশমান

মনোমধ্যে সর্বদা হয়ে পড়ে সেসব বড়ই দৃশ্যমান।

একুশই জাগ্রত করেছে একাত্তরের চেতনাবোধ

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হয় না কোনদিন কখনো শোধ।

তাহলে আমরা কেন তা মেনে নেবো সর্বদা সারাক্ষণ

আমরা বুঝি আর না বুঝি ঘুরে বেড়াবো ঠিক ততক্ষণ।

আমরা তাতে দেব না কেন দেবী স্বরস্বতীর পূজা-আরতী

একুশ জাতির জাগ্রত চেতনা বোধের দৃশ্যমান সারথী।

ছন্দবদ্ধ কবিতার পাতায় যথেচ্ছ বসি-নড়িচড়ি

সকলে করে রপ্ত একুশের চেতনাবোধের হাতেখড়ি।

জনতা একদিন করেছে তার অভূতপূর্ব মূল্যায়ণ

একদিন বাস্তবে হয়েছে জগতমাঝে তার রূপায়ণ।

একুশকে নিয়ে আমরা তাই বড় বেশি গর্বিত

একুশকে নিয়ে করতে হবে না আদৌ চর্বণ-চর্বিত।

“আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি,

আমি কি ভুলতে পারি”-আমরা কি আদৌ পারি?

এগিয়ে আসো আরেকবার

কাজী রকিবুল ইসলাম

ত্রিশ লক্ষ জীবন করে খরচা

এনেছিল গণতন্ত্রের মূল পরচা

কেন বন্ধ হলো গণতন্ত্র চর্চা?

কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নাই

যে কেউ সাজে রাজা

নিয়ম-নীতির প্রয়োজন নাই

সবখানে পদপিষ্ট প্রজা।

ঢাকতে নিজের অযোগ্যতা, আইন, মন্ত্রীর মুখের কথা

ত্রিশ লক্ষ শহীদ যেন মন্ত্রীর বাপ চাচা?

দেশটা স্বাধীন করেছিল যেন তারা একা।

পাবলিকের আপনজন শহীদের মধ্যে নাই কী?

স্বাস্থ্যের স্বাস্থ্য খারাপ! খবর নিতে লাগবে পূর্বানুমতি

গণতন্ত্র ধর্ষণ করে হারামখোররা দেশটার করেছে বড় ক্ষতি।

ছদ্মবেশি দুর্নীতিবাজ, লুটেরা নষ্ট করেছে গণতন্ত্রের সম্প্রীতি

দেশ প্রেমিক জনগণ, এগিয়ে আসো আরেকবার

নিশ্চিহ্ন করি দুর্নীতি-সব জঞ্জাল।

ফাগুন’র বেদনা

মহব্বত আলী মন্টু

ফেব্রুয়ারি মাস মনে করে দেয়

বাংলা ভাষার চেতনা,

একুশের সাথে মিশে রয়েছে

মাতৃভাষার বেদনা।

জীবন দিয়েছিল ভাষার জন্য

সালাম, বরকত, রফিক,

রাষ্ট্রভাষা বাংলা চেয়ে তাই

বুলেটে মরেছে জব্বার, শফিক।

আরও মরেছে নাম না জানা

অনেক শহীদ ভাই,

আজও আমরা ফাগুন মাসে

তাদেরই গান গাই।

তবে কেন দেইনি আজও

বাংলা ভাষার দাম,

একুশ ফেব্র“য়ারি সেতো

ইংরেজি মাসের নাম।

আটই ফাল্গুন হারিয়ে গেল

একুশ ফেব্রুয়ারির মাঝে,

রাষ্ট্রভাষা বাংলা বাদে

ইংরেজি একুশ কেন বাজে?

 

ভুলবো না

কমলেশ চক্রবর্ত্তী

চক্রান্তকারীরা বাঙালিকে দেখতে শুরু করে আড় চোখে

পরিকল্পনায় মেতে উঠে উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা করার লক্ষ্যে,

পাকিস্তানে উর্দু হবে রাষ্ট্র ভাষা

সে কথায় ক্ষোভে ফেটে পড়ে বাঙলার ছাত্র-জনতা-চাষা।

ওরা নির্বিচারে মিছিলে গুলি বর্ষণ করলো

রফিক, শফিক, সালাম, বরকত, জব্বার ভাষার দাবীতে মরলো।

কি হৃদয় বিদারক দৃশ্য!

আজও স্মৃতির পাতায় তা অবিমৃষ্য।

তবুও পরাধীনতায় তাদের সান্নিধ্যে যাওয়া

যেন নিজেদের পায়ে কুড়াল মেরে নিষ্প্রভব হওয়া।

দেশ মাতৃকার জাতীয় সত্তায় হিংসা দ্বেষ!

যা এক নিমেষে করে ফেলে শেষ।

মাতৃভাষার জন্যে পৃথিবীকে করেছো রঙিন

তোমাদের অবদান ভুলবো না কোনদিন।

ভাইরাস- করোনা

মো. শরীফ উদ্দীন

করোনায় কম্পিত- বিচ্ছিন্ন চীন!

আক্রান্ত আর মৃত্যুর মিছিল বাড়ছে।

করোনা এদেশে না এলেও

বাজারে ঢেউ লেগেছে।

আক্রান্ত বাজার

আক্রান্ত ক্রেতা।

বাসা বেঁধেছে বাণিজ্য-তন্ত্রের মগজে

ষোল কোটি মানুষ আক্রান্ত

করোনার অজুহাতে।

রক্তের ঋণ

সন্তোষ দেবনাথ

যে ভাষাতে শিশু প্রথম ডাকতে শেখে মা

সে যে মায়ের ভাষা, বাংলা ভাষা, যার তুলনা চলে না।

সেই মাতৃভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল যারা

তাদের ভাষা চাপিয়ে দিতে পারেনিকো তারা।

বাংলা মায়ের ছেলেরা সেদিন উঠেছিল ফুঁসে

তাদের রক্তে যেন ধরলো আগুন দারুণ আক্রোসে।

মাতৃভাষার রাখতে মান হয়ে সবে একমত

মিছিলে মিছিলে প্রকম্পিত করেছিল রাজপথ

ছেলেরা থাকতে মায়ের ভাষা মুখ থেকে কেড়ে নেবে

সেই ছেলেদের মায়ের সামনে বেঁচে থেকে কী হবে?

ভীরু কাপুরুষ মরে বহুবার তারা মরার আগে

সাহসী বীরের রক্তস্রোতে প্রতিরোধের বান ডাকে।

স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হলো আকাশ বাতাস

রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই, দ্বিমতের ছিলনা অবকাশ।

দৃপ্তপদে এগিয়ে গেল দাবী আদায়ের লক্ষ্যে

রুখতে তাদের অত্যাচারী চালাল গুলি বক্ষে।

রফিক সালাম জব্বার বরকত পলকে লুটিয়ে পড়ে

মাতৃভাষার তরে দিয়ে প্রাণ তারা ইতিহাস গড়ে।

পীচঢালা পথ রঞ্জিত হলো তাদের রক্ত মেখে

কুচক্রির ললাটে তারা কলঙ্ক তিলক দিল এঁকে।

একুশ মানে

রাজ পথিক

একুশ মানে আমার কাছে

ঠাকুরমার ঝুলি,

একুশ আমার মায়ের কাছে

প্রথম শেখা বুলি।

একুশ মানে শহীদ ভাইয়ের

বুক পেতে নেয়া গুলি,

একুশ আমার বাঙলা ভাষার

শাশ্বত রঙতুলি।

একুশ মানে আমার মায়ের

বুকের পাঁজর ছেঁড়া

একুশ আমার বিদ্রোহী ভাইয়ের

লোহিত কণিকা ধারা।

একুশ মানে আমার চোখে

স্বপ্নের রাঙাপ্রভাত,

একুশ আমার মাতৃভাষার

প্রতিবাদী প্রতিঘাত।

একুশ মানে বুকের মাঝে

মাতৃ মমতার টান

একুশ আমার অহংকারের

সাম্যের জয়গান।

জীবনের অশান্ত স্রোতে

সাধন কুমার অধিকারী

নোলকরে তুই ভ্যাসতাছিস

জীবনের অশান্ত স্রোতে,

নরক যন্ত্রণা ভোগ করত্যাছিস

খাম খেয়ালির পশুত্বে।

বন্দিনী জ্ঞানবিহীন অঙ্গনে

আঁধারের হাতে।

একটি ভুলে হাজার ভুল তোরে,

করত্যাছে গ্রাস,

এমনিভাবে চলতে থাকলে

তোর গলে পড়বে ফাঁস,

ধরা পইড়াছিস হাতে নাতে।

আঁধার থেইকা আলোর আশা,

সেতো হইত্যাছে দূরাশা

জীবন যন্ত্রণা আছাড়াইত্যাছে

শুধু চারিদিকে মরণ কুয়াশা

পুইড়া মরত্যাছিস আইবোনা তোকে

রক্ষাতে।

একুশ শেখায়

মাসুম বিল্লাহ

একুশ শেখায় নতুন করে ডাকতে আবার

নতুন করে ভাবতে,

স্বাধীন ভাষায় নতুন করে মা’কে

আবার ডাকতে।

একুশ শেখায়-স্লোগান দিতে

দাবী আদায় করতে,

সাহস নিয়ে বলতে কথা

অমর হয়ে মরতে।

একুশ শেখায় প্রভাত ফেরির

নতুন আলো জ্বালতে,

ন্যায় হাঁতুড়ির নিচেয় ফেলে জগেদ্বল

পাথরগুলো ভাঙতে।

 

মুত্যুঞ্জয়ী ভালবাসা

সাধন কুমার দাস

অন্যকে গোছাতে আজ বড্ড ব্যস্ত তুমি

তাইতো এতোটা অগোছালো হয়েছি আমি।

তুমি আজ অন্যের আকাশের তারা-

আজ তাই জোনাকিরাও আমার আকাশে জ্বলে না।

আছি এইতো আগের মতোই

আর লাভ-ই বা কী হবে জেনে!

ভাল আছি বেশ! ভালই আছি

তুমি হীনা স্বাক্ষী থাকা সেই রাতকে সঙ্গী করে।

মনে পড়ে কী সেই দিনগুলির কথা?

প্রায়ই বলতে আমিই তোমার একান্ত নীরবতা।

না মনে করো না সেই সময়ের কোন ক্ষণ,

আজও পারিনি ভুলতে তোমার আমার এই মন।

এখন ভাল আছো নিশ্চয় ঐ ভুবনে?

একই বৃন্তে নতুন আকাশের তারা গুনে।

আছি এইতো একই ছাঁদের নিচে,

মৃত্যুঞ্জয়ী ভালবাসা থাক এমনইভাবে বেঁচে।

চেতনার গর্বিত লাশ

সুমন বিশ্বাস

রাঙলো শিমুল-রাঙলো পলাশ

ওরা কি সালাম-শফিকের

চেতনার গর্বিত লাশ,

ওরা কি রফিক, জব্বার, বরকত?

আমার হৃদয়ে হারানোর ক্ষত

ব্যথার পর্বত।

মাঠের সবুজ কচি ধানের চারায়

বাতাসের শিশু দোল খেলে যায়

আর আমি দিগন্তের সীমান্তে দেখি

রক্তজবা লাল হয়ে ফোটে আঁখি

আমার বিস্মিত বোধের দুয়ারে কড়া নাড়ে

কত! ভালবাসায় সেদিন ওরা ঘর ছাড়ে

মায়ের চোখে যেন না নামে আঁধার;

তাই ওরা হয়েছিল দুবির্নীত-দুর্বার।

আমার মন যখন অবসাদে ভরে

পাখিরা যেন গান শোনাতে পারে

আমার স্বদেশী ভাষায়

তাই বুলেটের ভয় উপেক্ষা করে

মিছিলের পতাকা তুলেছিল ধরে

ভয়ানক কালো রাস্তায়।

খোলাদিগন্তে

মো. সামসুজ্জামান

যৌবন স্বপ্নের সোনালী দিন

ফাল্গুনের সুন্দর সুরভী হাওয়া

বসন্তের সজীবতা প্রত্যাশায় ভরে ওঠে

হৃদয়ের ভালবাসা- একদা একদিন

স্নিগ্ধ রোদের স্বচ্ছতায় জেগে ওঠে

প্রেম প্রেম খেলায় মেতেছিলাম

সুখের স্বপ্ন আনন্দে কাটিয়ে দিতাম

যৌবনের মধুময় সময়।

এখন জীবনের অনেকটা সময়

পার হয়ে পৌঢ়ত্বের বয়সমীমা

পার করে সুখ স্বপ্নের রুঢ় বাস্তবতার

খোলা দিগন্তে পৌঁছে গেছি- জীবনের

মধুময়ক্ষণ এখন আর হৃদয়কে দোলা দেয় না

আন্দোলিত করে না ফেলে আসা বসন্তের

কাকলি মধুর মাধবী লতার ছন্দে।

চেতনার গর্বিত লাশ

সুমন বিশ্বাস

রাঙলো শিমুল-রাঙলো পলাশ

ওরা কি সালাম-শফিকের

চেতনার গর্বিত লাশ,

ওরা কি রফিক, জব্বার, বরকত?

আমার হৃদয়ে হারানোর ক্ষত

ব্যথার পর্বত।

মাঠের সবুজ কচি ধানের চারায়

বাতাসের শিশু দোল খেলে যায়

আর আমি দিগন্তের সীমান্তে দেখি

রক্তজবা লাল হয়ে ফোটে আঁখি

আমার বিস্মিত বোধের দুয়ারে কড়া নাড়ে

কত! ভালবাসায় সেদিন ওরা ঘর ছাড়ে

মায়ের চোখে যেন না নামে আঁধার;

তাই ওরা হয়েছিল দুবির্নীত-দুর্বার।

আমার মন যখন অবসাদে ভরে

পাখিরা যেন গান শোনাতে পারে

আমার স্বদেশী ভাষায়

তাই বুলেটের ভয় উপেক্ষা করে

মিছিলের পতাকা তুলেছিল ধরে

ভয়ানক কালো রাস্তায়।

ফেব্রুয়ারি

মোস্তানূর রহমান সাক্ষর

এলো ফেব্রুয়ারি, এলো ভাষার মাস

এ মাস এলেই মনে পড়ে

ছেলে হারা মায়ের কান্না।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি

পুলিশ ঢাকায় ১৪৪ ধারা করলো জারি

ভাঙল ধারা জীবন দিল রফিক, বরকত

সালাম, জব্বার আরও…

ওদের রক্তে স্নাত হলো

বাংলা ভাষার প্রতিটি অক্ষর

রক্তে ভেজা বাংলা হলো রাষ্ট্রভাষা।

২০০০ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি

সেই থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বাংলা

রক্তে ভেজা এ বর্ণমালা ঝরতে দেবো না।

বাংলা আমার মায়ের ভাষা

আমার প্রাণের ভাষা,

শান্তি সুখের স্বপ্ন আশা

এ ফেব্রুয়ারি।

মুজিববর্ষে বিএসপির ২০০তম সাহিত্য সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

 

মুস্তাফিজুর রহমান : বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদ (বিএসপি) যশোরের ২০০তম মাসিক সাহিত্য সভা ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বর্ষ উপলক্ষে কবিতা পাঠ, আলোচনা সভা ও র্পুস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান ৬ মার্চ শুক্রবার সকালে প্রেসক্লাব যশোরে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক মো. সামসুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, যশোর সরকারি এম এম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসার আফসার আলী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নেতাজী গবেষক, প্রাবন্ধিক, বহুমাত্রিক ডটকমের প্রধান সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা ড. মুস্তাফিজুর রহমান, ডা. আবুল কালাম আজাদ লিটু. আমিরুল ইসলাম রন্টু, কবি সাজিদ হাসান কামাল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রফেসর আফসার আলী বলেন, সৃজনশীল সাহিত্য সমাজ বির্নিমাণে দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করে। এ ক্ষেত্রে বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদ সেই সৃজনশীল সাহিত্য চর্চার কাজটি করছে। এটা সমাজের ইতিবাচক দিক। যশোরের জন্য খুবই আনন্দের।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা আশরাফুল ইসলাম বলেন, সমকালীন সমাজ বাস্তবতায় মানুষের মনন ও রুচির যে চরম দৈন্যতা নিঃসন্দেহে সাহিত্যের কোমল অঙ্গনকেও প্লাবিত করছে। সেখানে ধারাবাহিকভাবে বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের ২০০তম আসরের আয়োজন অত্যন্ত সাহসী ও দূরদর্শী পদক্ষেপ। আমরা কাঠামোগত উন্নয়নের দিকে যতটা দৃষ্টিপাত করতে পারছি। ততটাই জাতির মনন ও মূল্যবোধ তৈরি করতে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যহত থাকবে।

২০০তম সাহিত্য সভার শুরুতে প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মুন্না বলেন, ২০০৪ সালে ৬ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১০টায় বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের প্রথম সাহিত্য সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই থেকে প্রতি ইংরেজি মাসের প্রথম শুক্রবার সকাল ১০টা এ সাহিত্য সভা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এ পর্যন্ত কোন মাস বন্ধ হয়নি। ধারাবাহিক ভাবে আজ ২০০তম সাহিত্য সভা অনুষ্ঠিত হলো। এছাড়া প্রতি সাহিত্য সভায় পঠিত ও আলোচিত কবিতা নিয়ে প্রকাশিত হচ্ছে একুশের পত্র। সেটিও কোনদিন বন্ধ হয়নি। আর এজন্য সংগঠনের সকল সদস্যদের তিনি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সদস্যদের আন্তরিকতার কারণে এটা সম্ভব হয়েছে।

২০০তম সাহিত্য সভায় স্মৃতিচারণে অংশ নেন, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পদ্মনাভ অধিকারী, কাজী রকিবুল ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক, অধ্যাপক সুরাইয়া শরীফ, রাশিদা আখতার লিলি, নূরজাহান আরা নীতি, শাহরিয়ার সোহেল, আহমেদ মাহাবুব ফারুক, আবুল হাসান তুহিন, আরশি গাইন, রেজাউল করিম রোমেল, শরীফ উদ্দিন।

এছাড়া কবিতা পাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন, আহমদ রাজু, অ্যাড, মাহমুদা খানম, শরিফুল আলম,  হোসেন আলী, মোস্তানূর রহমান সাক্ষর, লায়লা বেগম, সালমা খাতুন, রাজপথিক, অধ্যাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, মহব্বত আলী মন্টু, সাধন কুমার দাস, শংকর নিভানন, সাধন কুমার অধিকারী, গোবিন্দ চন্দ্র বিশ^াস, মো, ইলিয়াস শাহ, ফাতিমা পারভীন, শামীম বাদল, আব্দুল আলীম, সানজিদা ফেরদৌস, হুমায়ন কবির, উত্তম কুমার, নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে পঠিত কবিতার মধ্যে গোবিন্দ চন্দ্র বিশ্বাস, পদ্মনাভ অধিকারী, রাজপথিক, সর্বাধিক একুশের পত সংগ্রহের জন্য প্রফেসর জাহাঙ্গীর আলম, রাশিদা আখতার লিলি, ইলিয়াস শাহ, সর্বাধিক উপস্থিতির জন্য পদ্মনাভ অধিকারীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে মিডিয়া পার্টনার ছিলো বহুমাত্রিক ডটকম।