Home » 2020 » June

Monthly Archives: June 2020

যশোরের কৃতি সন্তান ও জনপ্রিয় সাহিত্যিক নিমাই ভট্টাচার্য আর নেই

 

মোস্তাফিজুর রহমানঃ জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক নিমাই ভট্টাচার্য মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) কলকাতার নিজ বাসভবনে মারা যান তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

১৯৩১ সালের ১০ এপ্রিল নিমাই ভট্টাচার্য জন্মগ্রহণ করেন বাংলাদেশের যশোরে। যশোরের সম্মিলনী ইনস্টিটিউশনে ক্লাস নাইন পর্যন্ত পড়েছেন তিনি। দেশভাগের পর ১৯৪৮ সালে পিতার সাথে তিনি কলকাতায় চলে যান। সেখানে রিপন কলেজ থেকে আইএ ও বিএ পাস করেন। সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু হলেও সাহিত্যচর্চায় নিজেকে মেলে ধরেছেন দারুণভাবে। প্রখ্যাত সাংবাদিকের পাশাপাশি হয়েছেন খ্যাতিমান লেখক।

১৯৬৩ সালে তার প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় “অমৃত বাজার” পত্রিকায়। তার উপন্যাসের সংখ্যা ১৫০টিরও বেশি। ১৯৭২ সালে তার জনপ্রিয় উপন্যাস ‘মেমসাহেব’ চলচ্চিত্রে রূপ পায়। এই ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন উত্তম কুমার ও অপর্ণা সেন। নিমাই ভট্টাচার্যের উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘মিনিবাস’, ‘মাতাল’, ‘ইনকিলাব’, ‘ব্যাচেলর’, ‘কেরানী’, ‘রাজধানী এক্সপ্রেস’, ‘অ্যাংলো ইন্ডিয়ান’, ‘ডার্লিং’, ‘ইউর অনার’, ‘ককটেল’, ‘পথের শেষে’, ‘অষ্টাদশী’, ‘ম্যারেজ রেজিস্ট্রার’, ‘পিয়াসা’, ‘নাচনী’ ।

বরেণ্য এই সাহিত্যিকের মৃত্যুতে বাংলা সাহিত্য এবং সংস্কৃতি মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক সামসুজ্জামান, সহ সভাপতি-১ কাজী রকিবুল ইসলাম, সহ সভাপতি-২ আমির হোসেন মিলন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মুন্না, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূরজাহান আরা নীতি, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল হাসনাত সজল, কোষাধ্যাক্ষ আবুল হাসান তুহিন, প্রকাশনা সম্পাদক আহমেদ রাজু, অফিস সম্পাদক শরিফুল আলম, নির্াহী সদস্য আহমেদ মাহবুব ফারুক, এ্যাড. মাহমুদা খানম, নাসির উদ্দিন, সোনালী আক্তার চাপা এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি পদ্মনাভ অধিকারী নিমাই ভট্টাচার্যের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।

মোস্তাফিজুর রহমানের গল্প-করোনাকালে সীমিত আকারে শপিং

পড়াশোনা শেষ করে রাকিব খান সরকারি চাকরি করছে। সুন্দরী বৌ রাবেয়া খানম আর চাঁদের মত এক টুকরো পিচ্চি ছেলে রাহাত খান কে নিয়ে সে রাজধানীতেই বাস করে। সংসার ধর্ম, কাজ কর্ম ভালোই চলছে। কি সুন্দর সাজানো গোছানো সংসার! স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা দেখে প্রতিবেশিরা একদিকে যেমন প্রশংসা করে অন্যদিকে ভিতরে ভিতরে হিংসার আগুনেও জ্বলে। জীবনের সব সুখ যেন স্ব-ইচ্ছায় তাদের কাছে ধরা দিয়েছে। সংসারে চাঁদের টুকরো ছেলেটা আসার পর সুখ যেন আরো বেড়ে গেছে।

দেশে হঠাৎ মহামারীর আগমন। এই মহামারীর কারন এমন একটি ভাইরাস যেটার সংক্রমণের প্রধান লক্ষণ হাঁচি-কাশি হলেও দিনে দিনে এর রুপের পরিবর্তন হচ্ছে। অদৃশ্য এই শত্রুর কাছে সারা পৃথিবী বিপর্যস্ত। রাকিব একজন সচেতন মানুষ। লকডাউনের কারনে বাসাতে তার সময় কাটলেও অন্যান্য কাজের পাশাপাশি সে নিয়মিত খবর দেখছে এবং কতোজন আক্রান্ত হচ্ছে আর কতোজন মারা যাচ্ছে তার হিসাব রাখছে। পৃথিবী যেন অসুস্থ হয়ে গেছে, কবে যে আবার সুস্থ হবে সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

এখন রোজার মাস। কদিন পরই রোজা শেষ। তারপর ঈদ। দেখতে দেখতে ২৫ রোজা পার হলো, ঈদকে কেন্দ্র করে শপিংয়ের একটা ব্যাপার আছে। শপিং ছাড়া যেন ঈদের আনন্দের সঙ্গা রচিত হয়না। এবারের পরিবেশটা মোটেও উপযুক্ত নয়। কিন্তু কয় জনই-বা বুঝবে সেটা! ওদিকে পাশের বাসার নীলা ভাবি বিকালে এসে রাবেয়াকে  বলেছে, “ও ভাবী তোমরা কবে যাবে শপিংয়ে? এখনো যাওনি কেন ? সীমিত আকারে খোলা আছে তো। পরে কিন্তু কিছুই পাবানা। ভাইতো দেখছি তোমাকে ভালোই বাসে না। আর ওদিকে আমার বাবুর আব্বু কত্তো ভালো, আমাকে এতো এতো শপিং করে দিয়েছে।” রাবেয়া রীতিমতো রেগে আগুন। এমনিতেই সে একটু আবেগপ্রবণ, তার উপরে আবার কানভাঙানি। কে জানে রাকিবের কপালে আজ কী আছে!

ইফতারির পর নামাজ শেষে রাকিব বিশ্রাম করছে। এমন সময় রাবেয়া হঠাৎই বললো, “আমার কিচ্ছু ভাল্লাগছে না। আমি যে কি করব নিজেই জানিনা। সবার স্বামী এতো এতো শপিং করে দিচ্ছে আর আমার স্বামী….!” প্রত্যুত্তরে রাকিব বললো, “সোনাপাখি রাগ করো না। আমার কথা শোন। করোনা ভাইরাস এতো বেশি ছড়াচ্ছে বাইরে অনেক রিস্ক। এ অবস্থায় শপিংয়ে যাওয়াটা একদমই ঠিক হবেনা। যতটা সম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলাটায় মঙ্গল।” সাথে সাথে রাবেয়া আবারো বললো, “কি যে বলো তুমি, পাশের বাসার ভাবি অনেক শপিং করেছে। আমি এতো কিছু বুঝিনা, আমি লিস্ট করে ফেলেছি তুমি আগামীকাল আমাকে নিয়ে শপিংয়ে যাবা তাই জানি।”

ওরে বাবা…! কি যে দিনকাল আসলো এখন ভালোবাসা পরিমাপের মাপকাঠি হচ্ছে শপিং। এতোদিনের ভালো স্বামীটা তার ভালোত্ব হারিয়ে ফেলবে যদি বৌ’কে লিস্ট অনুযায়ী শপিং করে না দেয়। স্বামী পড়েছে মহাবিপদে। প্রতিদিনই নতুন শনাক্ত, নতুন মৃত্যু বেড়েই চলেছে…। সারাদেশের অবস্থা দেখে রাকিবের ভিতরে ভয় ঢুকে গেছে। অপরদিকে, রাবেয়া তো নাছোড়বান্দা। শপিং ছাড়া তার একদন্ডও চলবেনা। সে এককথার মানুষ। রাগীও আছে একটু।

লকডাউনের ভিতরে রাবেয়া রান্নাবান্নাসহ বিভিন্ন কাজ করছে। বেচারির অনেক কষ্ট হচ্ছে। অফিস বন্ধ,দু-মাস বেতনও বন্ধ তাই সেভিংসের টাকা দিয়ে ইদানিং কালের সমস্ত খরচ চালাতে হচ্ছে। ইচ্ছার বিরুদ্ধে বৌ আর ছেলেকে নিয়ে একরকম বাধ্য হয়েই রাকিব পরদিন সকাল ১০ টায় সীমিত আকারে শপিংয়ে চললো। নিজের জন্য কিছু কেনার ইচ্ছা না থাকলেও বৌয়ের কথায় একটা নতুন পাঞ্জাবি আর পাজামা নিতেই হলো। ছেলের একসেট পোশাক আর বৌয়ের সবকিছু মিলিয়ে ৭৮৯০ টাকা বিল হলো। অন্যবারের তুলনায় এটা কমই বলা চলে। ঈদের দিন বাইরে ঘুরতে যাবার কোন প্লান না থাকলেও পাশের বাসার ভাবির উপর জেদ করেই এইসব কাপড়-চোপড় কেনা।

শপিং থেকে আসার এক সপ্তাহের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী দুজনার কলিজার টুকরো ছেলেটা অসুস্থ হয়ে পড়লো। গায়ে প্রচন্ড জ্বর। কাশিও হচ্ছে একটু একটু। ঔষধ তাকে খাওয়ানো হচ্ছে। রাকিব সেদিনও খবরে দেখেছে এটা করোনা ভাইরাসের লক্ষণ। তার মনে হল, রাহাত এটাতে আক্রান্ত হলেও হতে পারে কারণ মার্কেটে সেদিন ঠিক তেমনি ভিড় ছিল জনপ্রিয় দুটি টিমের খেলা হলে স্টেডিয়ামের গেটে যেমন ভিড় হয়। তাছাড়া শাড়ি কিনে বেরিয়ে আসার সময় ঐ গলিতে ভিড়ের ভিতরে একটা লোক বাবুর কাছেই হাঁচি দিয়েছিল আর ঐ সময় বাবুর আম্মু ওর মাক্স খুলে কি যেন খাওয়াচ্ছিল।

ছেলেটা মাঝে মাঝে এমনভাবে কাঁদছে যেন সেই কান্নার পাহাড় সম চাপ রাকিবের বুকে অনুভূত হচ্ছে। ছেলেকে নিয়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনই উদ্দিগ্ন, অস্থির, পাগলপ্রায়। প্রেম করে বিয়ে করলেও বৌয়ের প্রতি রাকিবের যতটা ভালবাসা তার চেয়ে বেশি ভালোবাসা রয়েছে ছেলের প্রতি। রাবেয়ার দিক থেকেও একই ব্যাপার। যদিও ভিতরে ভিতরে রাবেয়ার অপরাধবোধ কাজ করছে তারপরও স্বামীর অস্থিরতা দেখে সে বলল, “তুমি শান্ত হও, হৃদয়কে ডাক্তার দেখালে সব ঠিক হয়ে যাবে। এটা এমনি জ্বর। তাছাড়া আমরা তো প্রটেকশন নিয়েই গিয়েছিলাম।” প্রচন্ড রাগের সাথে রাকিব বললো, “তুমি চুপ করো, তোমার জন্য রাহাতের আজ এই অবস্থা। আমি আর দেরি করতে চাইনা আমি ওকে হাসপাতালে নিতে চাই, করোনা টেস্ট করাতে চাই। তোমার আর আমারও টেস্ট করানো উচিত।”

পরদিন তারা তিনজন কাছাকাছি একটা হাসপাতালে উপস্থিত। হাসপাতালে ইদানিং কালের নতুন নিয়ম হয়েছে সেটা হলো যেকোন রোগী আসলে তাদেরকে আগে করোনা টেস্ট করতে হবে। নির্দিষ্ট সময় পর রাকিবকে টেস্টের রেজাল্ট জানানো হলো। ডাক্তার বললো, “কষ্টের ব্যাপার হলেও এটা সত্য যে আপনি, আপনার ওয়াইফ এবং আপনার ছেলে তিনজনই করোনা পজিটিভ। করোনাকালে শপিংয়ে যাওয়া আপনাদের একদমই উচিত হয়নি। ভেঙে পড়বেন না, মনকে শক্ত করুন। নিয়মকানুন যথাযথভাবে মেনে চললে অচিরেই সুস্থ হয়ে যাবেন। শুভকামনা রইল।” পজিটিভ রেজাল্ট শোনার পর আকাশ ভেঙে রাকিবের মাথায় পড়ল। তার সন্দেহ শেষমেষ সত্যি হলো। সুখের সংসারে দুঃখের ঘনকালো মেঘ নেমে এলো। করোনাকালে সীমিত আকারে শপিং কতোটা বিষাদময় যন্ত্রণা বয়ে আনতে পারে সেটা তারা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। করোনার নিষ্ঠুর আঘাতে তারা তিনজন এখন ডেডিকেটেড হাসপাতালের বিছানায় যুদ্ধ করছে সুস্থ হয়ে আবারো স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আশায়।

শাহ‌রিয়ার সোহেলর কবিতা-আম্পান

আম্পান
শাহ‌রিয়ার সো‌হেল

হঠাৎ এলো এক মহানায়ক আম্পান
লন্ডভন্ড করলো কলা, লিচু, আম, পান
ভয়‌তে কুঁকড়ে উঠল মহাপ্রাণ
কে দেবে সুষ্ঠুভাবে কিছু ত্রাণ
এ দু‌র্যো‌গে কে কী চান ?
নেতারা এসব নি‌য়ে করছে ফান
ক‌ষ্টে জীবন হ‌লো খান খান
ম‌নে আসেনা সু‌খের কোন গান
কোথায় গেল সব জা‌নের জান ?
সবকিছু ভাসালো কঠিন বান
নষ্ট হলো পাকা ক্ষেতের ধান
লজ্জা লা‌গে গ্রহণ করতে সামান্য দান
বা‌নের সাথে ভেসে গেল সকল মান
আট ঘন্টার তান্ডব চালা‌লো দানব আম্পান
‌থে‌মে গেল সু‌খের লহরী সু‌রের তান !

শহিদ জয়ের জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা

মোস্তাফিজুর রহমান : বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের আজীবন সদস্য, সাংবাদিক নেতা শহিদ জয়ের আজ (১৫ জুন) জন্মদিন। তার জন্মদিনে সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সভাপতি শহিদ জয়কে সোমবার দুপুর ১টার দিকে বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি পদ্মনাভ অধিকারী, সহসভাপতি কাজী রকিবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মুন্না।

এসময় শহিদ জয়’র দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।

রবিউল হাসনাত সজলের কবিতা-হেসে উঠবে দারুন পৃথিবী

 

 

হেসে উঠবে দারুন পৃথিবী

রবিউল হাসনাত সজল

আমার আমিকে

হারিয়েছি সেই কবে

কোন এক জোছনা ভেজা রাতে

যে রাতের আঁড়াল সরিয়ে সুখ

নিজেকে গুছিয়ে নিয়েছে গৃহস্থলি জীবনে

অথচ কাচা আমিটা আজো কি ভীষণ

কাচা-ই থেকে গ্যাছি একাকি বিকেলের পাটে

এখন আমি প্রতিদিন হেঁটে যাচ্ছি

মৃত্যু নগরীর রূপসী পাড় বেয়ে বেয়ে

আমার সে পথ চলা-

কখনো থামাতে পারেনি পথের ক্লান্তি,

থামাতে পারেনি আম্পানের বিভৎস চিৎকারে

থামাতে পারেনি নভেল করোনার লম্বা মৃত্যু মিছিল

কিম্বা পঙ্গপালের ডানা ঝাপটানো কোন এক

অশনি সংকেতেও;

এখন আমার দৃঢ় দুটি পা-

চোখ-কান- নাক আর অতৃপ্ত আত্মা

ভীষণ ব্যাকুলতায় পথ চেয়ে আছে সেই

অদৃশ্য সত্ত্বার-

তিনিই তো পাঠাবেন মুক্তির দূত

থেমে যাবে ঝড়-ভেঙে যাবে ভয়

থমকে যাবে মৃত্যু মিছিল

আবার ঘুরে দাড়াবে প্রকৃতি

হেঁসে উঠবে আমাদের এই দারুণ পৃথিবী

শামীম বাদলের কবিতা-তছনছ সুখের তপোবন

 

 

তছনছ সুখের তপোবন

শামীম বাদল

 

নীরব আঘাতে পৃথিবী….

মনটা বেজায় ভারী,

তাগুদে শক্তি গুলো

ভাইরাসের কবলে বন্ধী সরাসরি।

লকডাউন, হোম কোয়ারেন্টাইন

সামাজিক দুরত্ব,

বাক্সবন্ধী শব্দ গুলো

এখন দেখায় বীরত্ব।

খেটে খাওয়া মানুষ যতো

খিদের জ্বালায় করে হাসফাঁস,

সুবিধবাদী চোরেরা গড়ে

নিত্য নতুন ইতিহাস।

কয়েকদিনের ফাঁক পেয়ে

ঘরবন্দী মানুজন,

করোনা কেনার প্রতিযোগিতায়

চালালো ভীষণ আয়োজন।

নবান্ন উৎসব, রমজান গেলো

আম্পানের সাথে ঈদ,

বাড়ি বাড়ি শোনা যাবে না

ধান ভাঙার গীত।

দুঃখ এখন রাজত্ব করে

সুখের তপোবনে,

মৃত্যু এসে হাতছানি দেয়

বুকের জমিনে।