Home » শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংবাদ

শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংবাদ

লেখা আহবান

মো. মোস্তাফিজুর রহমান:

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে যশোরের বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদ (বিএসপি) নিয়মিত প্রকাশনা বিদ্রোহী‘র লেখা আহবান জানানো হয়েছে। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী রকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মুন্না স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে আগামী ২০ নভেম্বর এর মধ্যে কম্পোজ করে মেইলে অথবা ডাকযোগে লেখা পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রকাশিত লেখার মধ্যে ভাল লেখার জন্য সম্মানি প্রদান করা হবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে লেখিয়ে বন্ধুদের কবিতা/ গল্প/প্রবন্ধ/নিবন্ধ ও গবেষণাধর্মী লেখা নিয়ে বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদ, যশোর সাহিত্য সংকলন ‘বিদ্রোহী’ প্রকাশ অব্যাহত রেখেছে। এবার বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রকাশিতব্য বিদ্রোহী এ আগামি ২০ নভেম্বর ২০২০ এর মধ্যে লেখা পাঠিয়ে দিন।

আগ্রহী লেখকদের দুটি কবিতা (৩০ লাইন) প্রবন্ধ, নিবন্ধ ও গবেষণাধর্মী (৮শ শব্দ) সরাসরি বা ডাকযোগে পাঠানো অনুরোধ করা হচ্ছে। লেখা কম্পোজ করে সুতোনী এমজে (sutonnyMJ) মেইলে পাঠাতে হবে।

* বিদ্রোহী প্রকাশিত লেখার মধ্যে ভাল লেখার জন্য সম্মানি দেয়া হবে

* লেখক সংখ্যা বিনামূল্যে দেয়া হবে। তবে নিজ দায়িত্বে সংগ্রহ করতে হবে

* ঢাকা গ্রন্থ মেলা, কলিকাতা (আন্তর্জাতিক) বই মেলায় বিদ্রোহী পাওয়া যাবে।

* লেখা পাঠানোর পর ছাপার জন্য যোগাযোগ করার প্রয়োজন নেই

* লেখা অবশ্যই অপ্রকাশিত হবে হবে।

* লেখা পাঠানোর সময় বর্তমান ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ও ইমেইল (যতি থাকে) উল্লেখ করতে হবে।

* লেখা পাঠানোর শেষ তারিখ ২০ নভেম্বর।

*লেখা পাঠানোর ঠিকানা :

ইমেইল : bspjessore@gmail.com.

সরাসরি/ ডাকযোগে-সম্পাদক-বিদ্রোহী, বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদ, কারুকাজ, কেশবলাল রোড,যশোর-৭৪০০

আজ কবি পদ্মনাভ অধিকারীর জন্মদিন

কাজী রকিবুল ইসলাম
বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও গবেষক পদ্মনাভ অধিকারীর ১২ অক্টোবর চৌষট্টিতম জন্মদিন। ১৯৫৮ সালের এই দিনে তিনি যশোর পৌরসভার বকচরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ব্রিটিশ খেদাও আন্দোলনী শিক্ষক নলিনীকান্ত অধিকারী, মাতা-গৌরী অধিকারী। চার ভায়ের মধ্যে তিনি সর্বকণিষ্ঠ। কবি পদ্মনাভ অধিকারীর সাহিত্যের হাতেখড়ি সেজভাই ডাক্তার ও সাহিত্যিক মধুসূদন অধিকারীর কাছে ১৯৭৬ সালে এপ্রিল মাসে। তার উল্লেখ্যযোগ্য গ্রন্থ: (১) যাব না (২) অন্তরে অন্তরে (৩) বিধ্বস্ত জনপদ (কাব্য) (৪) চিৎকার (৫) মর্তলোকে দিব্যরথ (কাব্য) (৬) ফেরারী (৭) প্রহরী ও শিশু কিশোর (উপন্যাস) তিন পা-ন্ড-১ম খন্ড (৮) একবৃন্তে (৯) মহর্ষিশী লালন সাঁই (১০) আধুনিকতা ও আধুনিক কবিতা প্রসঙ্গে (প্রবন্ধ)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার বাংলা সংবাদপত্রে সাহিত্য পাতায় লিখে আসছেন। এ ছাড়া ভারত, বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক ও সাপ্তাহিক এবং মাসিক পত্রিকাতে ১৯৯২ সাল থেকে তার লেখা প্রকাশ হয়ে আসছে। এ পর্যন্ত তার কবিতাসহ, গল্প, প্রবন্ধ, গবেষণা ৬ শ এর অধিক প্রকাশিত হয়েছে।
খুলনার মোহনা সাহিত্য ও সমাজ কল্যাণ সংগঠন কর্তৃক গবেষণা সাহিত্যের জন্য সম্মাননা (২০০৩), সিরাজগঞ্জের ক্যাপটেন মনসুর আলী সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক আজীবন সম্মাননা (২০১২) লাভ করেন। তিনি রূপায়ণ সম্প্রদায় (গবেষণা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি) এবং বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত গবেষণা ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য। সেই সাথে যশোর ইনস্টিটিউট,যশোর শিল্পকলা একাডেমি ও গ্লোবাল জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা পর্ষদের সদস্য। তার সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকার নাম ‘বিদ্রোহী। এছাড়া তার দশটি অন্তমিল কবিতার সুরারোপ ও স্বরলিপি করেছেন বেতারের কণ্ঠশিল্পি সাধন কুমার অধিকারী ও গোপীনাথ দাশ। আজকের এই দিনে তিনি সবার আর্শিবাদ কামনা করেছেন।
২০২১সালের বইমেলায় প্রকাশের জন্য ১। এই হেমন্তে (কাব্য) ২। সিঙ্গেল মাদার (ছোট গল্প।) এর পান্ডুলিপি প্রস্তুত রয়েছে। কবি পদ্মনাভ অধিকারীর জন্মদিনে বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

অধ্যাপক সামসুজ্জমানের রুহের মাগফেরাত কামনায় মসজিদে মসজিদে দোয়া

 

মোস্তাফিজুর রহমান :  সবার প্রিয় শিÿক, কবি অধ্যাপক মোঃ সামসুজ্জামানের রুহের মাগফেরাত কামনা করে শুক্রবার মসজিদে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদ ও পরিবারের উদ্যোগে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) জুম্মাবাদ বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে যশোর সদর উপজেলার বিরামপুর পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা কবীর হুসাইন, যশোর সদর উপজেলার রামনগর মোল্যাপাড়া জামে মসজিদে দোয়া পরিচালনা করেন  মাওলানা মোঃ ইমদাদুল হক, শহরের শংকরপুর জমাদ্দারপাড়া আজিজিয়া জামে মসজিদে দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মুফতি মোঃ মাহাবুবুর রহমান, মণিরামপুর উপজেলার কপালিয়া মাঝেরপাড়া জামে মসজিদে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা বাহারুল ইসলাম, যশোর শহরের বকচর জামিয়া কুরআনিয়া মাদরাসায় দোয়া পরিচালনা করেন মুফতি মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার  বারিনগর মদিনাতুল মনোয়ারা জামে মসজিদে দোয়া পরিচালনা করেন আলহাজ¦ রুহুল আমিন, একই উপজেলার ফুলবাড়ি জামে মসজিদে মাওলানা মোঃ সুমন। এছাড়া পরিবারের উদ্যোগে যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি  বাজারের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন হাফেজ নুরুন্নবী, ছাতিয়ানতলা জামে মসজিদে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা লিয়াকত হোসেন।

প্রসঙ্গত. বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মোঃ সামসুজ্জামান ৭ জুলাই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকার ইবনেসিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। পরদিন ৮ জুলাই বুধবার বেলা ১১টায় চুড়ামনকাঠি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে জানাজা শেষে ছাতিয়ানতলা গ্রামের পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। তিনি বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদ ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত ছিলেন।

শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় কবি সামসুজ্জামানের বিদায়

মোস্তাফিজুর রহমান : শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় সদা হাস্যজ্জ্বল অধ্যাপক ও কবি সামসুজ্জামানের চির বিদায় জানানো হয়েছে। সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে বুধবার বেলা ১১ টায় যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা চুড়ামনকাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মো. সামসুজ্জামানের ছোটভাই প্রফেসর মো: মনিরুজ্জামান জানান, জানাজার নামাজ পরিচালনা করেন ছাতিয়ানতলা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা লিয়াকত হোসেন। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পদ্মনাভ অধিকারী, সহসভাপতি কাজী রকিবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মুন্না, অফিস সম্পাদক শরিফুল আলম, সম্মানিত সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান।

জেলা কৃষকলীগের সভাপতি অ্যাড. সামছুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন, যশোর জেলা মৎস্যজীবী লীগের আহবায়ক মো. আবু তোহা, জেলা মৎস্যজীবী লীগের নেতা শহিদ ইমরান সবুজ, আবুল হাশেম, ফিরোজ কবির পিকুল, চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মুন্না, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আলতাফ হোসেন, কাজী নজরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আবেদ আলী, চুড়ামনকাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক মসিউল আযম, জেলা কৃষকলীগের যুগ্মসম্পাদক ফয়েজ আলম মনির, আনোয়ারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক তোরাব আলী, জেলা মৎস্যজীবী লীগের আহবায়ক আবু তোহা, জেলা মৎস্যজীবী লীগের নেতা সবুজ, আবুল হাশেম, ফিরোজ কবির পিকুল. ইউপি সদস্য এনামুল কবির প্রমুখ।

আগামী শুক্রবার জুম্মাবাদ চুড়ামনকাটি বাজার জামে মসজিদ ও ছাতিয়ানতলা জামে মসজিদে তার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হবে বলে তার স্বজনরা জানিয়েছেন। সামসুজ্জামান ছিলেন এলাকার সকলের প্রিয় একজন মানুষ। হঠাৎ করে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সামসুজ্জামানের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এদিকে, অধ্যাপক সামসুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছে যশোর জেলা কৃষক লীগের সভাপতি অ্যাড. মোঃ সামছুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশারফ হোসেন, জাগপার কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ও জেলা শাখার সভাপতি নিজামদ্দিন অমিত, সাধারণ সম্পাদক কামাল চৌধুরী প্রমুখ।

উল্লেখ্য, বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি কবি অধ্যাপক মোঃ সামসুজ্জামান মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকার ইবনেসিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি কোভিড-১৯ নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন বলে তার পারিবারিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

না ফেরার দেশে বিএসপির সভাপতি অধ্যাপক সামসুজ্জামান

মোস্তাফিজুর রহমান : যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাঠি এলাকার সবার প্রিয় স্যার অধ্যাপক মো. সামসুজ্জামান চলে গেলেন না ফেরার দেশে। বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ও যশোর সদর উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি অধ্যাপক মো. সামসুজ্জামান মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। (ইন্না…রাজিউন)। বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ১১টায় তার নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হবে।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কবি সামসুজ্জামান শুক্রবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসেন। এসময় তার শরীরে অতিরিক্ত জ্বর থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শুধুমাত্র করোনার নমুনা নেন এবং করোনা বিভাগে চিকিৎসার পরামর্শ দেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ওই দিন ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং ঢাকার ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি করোনায় পজিটিভ ছিলেন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

বুধবার সকাল ১১টায় তার যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামে মসজিদে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন নিহতের ছোটভাই প্রফেসর মনিরুজ্জামান।

১৯৫১ সালের ২০ অক্টোবর যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ পাস (বাংলা) করে কাজী নজরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজ অধ্যাপনা শুরু করেন। ২০১২ সালে তিনি অবসরে যান। তিনি মৃত্যুকালে দুই ছেলে মেয়ে, স্ত্রীসহ অসংখ্য আর্ত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।

মো. সামসুজ্জামান যশোর সদর উপজেলা শিক্ষক সমিতি ও জেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি যশোর সদর উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতির এবং বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক নিকেতনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। সবার প্রিয় স্যার অধ্যাপক মো. সামসুজ্জামানের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

অধ্যাপক মোঃ সামসুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছে বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদ। বিবৃতিদাতারা হলেন, সহসভাপতি কাজী রকিবুল ইসলাম, আমির হোসেন মিলন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মুন্না, সহসাধারণ সম্পাদক নূরজাহান আরা নীতি, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল হাসনাত সজল, প্রকাশনা সম্পাদক আহমদ রাজু, অফিস সম্পাদক শরিফুল আলম, কোষাধ্যক্ষ আবুল হাসান তুহিন, নির্বাহী সদস্য আহমেদ মাহাবুব ফারুক, অ্যাড. মাহমুদা খানম, নাসির উদ্দিন, সোনিয়া সুলতানা চাঁপা।ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি পদ্মনাভ অধিকারী, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মধুসূদন অধিকারী,গৌরঙ্গ মিত্র অর্ণব, শ.ম. রেজাউল হক রাজু, সংগঠনের উপদেষ্টা ড. মুস্তাফিজুর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, আজীবন সদস্য অ্যাড. শেখ তাজ হোসেন তাজু, শহিদ জয়, আলমগীর কাইয়ুম, কে.এম. আনোয়ারুল ইসলাম, ড. শাহনাজ পারভীন, ডা. দেবকুমার মন্ডল, প্রভাষক রমজান আলী, মিজানুর রহমান মিজান, জগদীশ দাশ, কাজী শহিদুল ইসলাম শিহাব, ডা. জি.জি.এ. কাদরী।

অধ্যাপক সামসুজ্জামান গুরুতর অসুস্থঃ সুস্থতা কামনা

মোস্তাফিজুর রহমানঃ বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি কবি অধ্যাপক মো: সামসুজ্জামান গুরুতর অসুস্থ হয়ে শুক্রবার সকালে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি শংকামুক্ত নয় বলে ডাক্তাররা জানিয়েছেন। তার সুস্থতার জন্য সবার কাছে সংগঠনের পক্ষে থেকে দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।

যশোরের কৃতি সন্তান ও জনপ্রিয় সাহিত্যিক নিমাই ভট্টাচার্য আর নেই

 

মোস্তাফিজুর রহমানঃ জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক নিমাই ভট্টাচার্য মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) কলকাতার নিজ বাসভবনে মারা যান তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

১৯৩১ সালের ১০ এপ্রিল নিমাই ভট্টাচার্য জন্মগ্রহণ করেন বাংলাদেশের যশোরে। যশোরের সম্মিলনী ইনস্টিটিউশনে ক্লাস নাইন পর্যন্ত পড়েছেন তিনি। দেশভাগের পর ১৯৪৮ সালে পিতার সাথে তিনি কলকাতায় চলে যান। সেখানে রিপন কলেজ থেকে আইএ ও বিএ পাস করেন। সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু হলেও সাহিত্যচর্চায় নিজেকে মেলে ধরেছেন দারুণভাবে। প্রখ্যাত সাংবাদিকের পাশাপাশি হয়েছেন খ্যাতিমান লেখক।

১৯৬৩ সালে তার প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় “অমৃত বাজার” পত্রিকায়। তার উপন্যাসের সংখ্যা ১৫০টিরও বেশি। ১৯৭২ সালে তার জনপ্রিয় উপন্যাস ‘মেমসাহেব’ চলচ্চিত্রে রূপ পায়। এই ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন উত্তম কুমার ও অপর্ণা সেন। নিমাই ভট্টাচার্যের উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘মিনিবাস’, ‘মাতাল’, ‘ইনকিলাব’, ‘ব্যাচেলর’, ‘কেরানী’, ‘রাজধানী এক্সপ্রেস’, ‘অ্যাংলো ইন্ডিয়ান’, ‘ডার্লিং’, ‘ইউর অনার’, ‘ককটেল’, ‘পথের শেষে’, ‘অষ্টাদশী’, ‘ম্যারেজ রেজিস্ট্রার’, ‘পিয়াসা’, ‘নাচনী’ ।

বরেণ্য এই সাহিত্যিকের মৃত্যুতে বাংলা সাহিত্য এবং সংস্কৃতি মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক সামসুজ্জামান, সহ সভাপতি-১ কাজী রকিবুল ইসলাম, সহ সভাপতি-২ আমির হোসেন মিলন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মুন্না, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূরজাহান আরা নীতি, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল হাসনাত সজল, কোষাধ্যাক্ষ আবুল হাসান তুহিন, প্রকাশনা সম্পাদক আহমেদ রাজু, অফিস সম্পাদক শরিফুল আলম, নির্াহী সদস্য আহমেদ মাহবুব ফারুক, এ্যাড. মাহমুদা খানম, নাসির উদ্দিন, সোনালী আক্তার চাপা এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি পদ্মনাভ অধিকারী নিমাই ভট্টাচার্যের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।

শহিদ জয়ের জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা

মোস্তাফিজুর রহমান : বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের আজীবন সদস্য, সাংবাদিক নেতা শহিদ জয়ের আজ (১৫ জুন) জন্মদিন। তার জন্মদিনে সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সভাপতি শহিদ জয়কে সোমবার দুপুর ১টার দিকে বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি পদ্মনাভ অধিকারী, সহসভাপতি কাজী রকিবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মুন্না।

এসময় শহিদ জয়’র দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।

জাহিরুল মিলনের কবিতা-সাংবাদিক

 

সাংবাদিক

জাহিরুল মিলন

তুমি সত্য তুমি যোদ্ধা

তুমি অকুতোভয় বীর

যত মিথ্যার শৃংখল আছে

ভেংগে কর চৌচির।

তুমি বলাকার মত স্বাধীন

সত্যে অবিচল মিথ্যার বিরুদ্ধে মাইন।

কাগজ তোমার বর্ম কলম তোমার অস্ত্র

লেখ তুমি যত অন্যায় অবিচার

বাধাকে তুমি অতিক্রম কর

অন্যায়ে হবে ক্ষুরধার।

তুমি দুরন্ত তুমি বারুদ ঠাসা বোমা

সত্যের সাথে গলাগলি মিথ্যার নেই ক্ষমা।

কালি, কলম, কাগজ সাথে

ক্যামেরা চেপে কাঁধে

চলেছে সে সংবাদ খোঁজে

পৃথিবী থেকে চাঁদে।

তুমি শান্ত তুমি মমতার আধার

তুমি রুদ্রমূর্তি শত্রুদলন বাধার।

অসহায় নিষ্পেষিত মানুষের পাশে

দাঁড়াও তুমি স্বজন মনে

এগিয়ে যাও বীরদর্পে

বিপদসংকূল ক্ষনে।

তুমি মানবতা তুমি সূর্যরথ বাগ

তুমি রুষ্ট তুমি দৃঢ় কঠোর রাগ।

সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্য

তোমার সেটা অজানা

মর্ত পাতাল যেথায় যাও

নেই কো তোমার মানা।

মরনে তুমি শহিদ বাঁচলে হবে গাজী

ভংগুর পথ, শত্রু চারিদিক তবুও যেতে রাজি।

পথে পথে খবরে খবরে

তুমি থাক মিশে

তুমি আছ সবার হৃদয়ে

বাকিরা যাবে ভেসে।

তুমি নির্মম তুমি ভয়হীন অজগর

ঝাঁপিয়ে পড় সংবাদে তুচ্ছ মৃত্যু জ্বর।

দূর্গম পথ, বজ্রপাত, ঝড়-ঝঞ্জা মাড়িয়ে

চলেছ জীবন রেখে বাজি

বিপদ ভেদিয়া বুক পাতো তুমি

দেশের তরে জীবন দিতেও রাজি।

সত্য মিথ্যা খুঁজে পেতে ছোটে যে দিকবিদিক

সেই হল দেশপ্রেমী সেইতো সাংবাদিক।

আরাফাত হোসেনের কবিতা-একি অপরূপ প্রকৃতি

 

একি অপরূপ প্রকৃতি

আরাফাত হোসেন 

 

আমি এক নিরঞ্জন ভাবার্থ কবি,

প্রকৃতিকে ভালোবাসতে গিয়ে- – –

ভালবাসতে পারেনি নারী।

আমি ক্লান্ত আমি শ্রান্ত,

তবুও প্রকৃতির প্রেমে আমি মুগ্ধ।

 

রমণী মোরে ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে

দেখেছি আমি রমণীর চোখে জল,

সেই ব্যথার জল যে আমার কাছে জল ছিলনা

মনে হতো যেন একি অপরূপ দৃশ্য নেমে আসছে- – –

ঐ আকাশের ঢল !

 

আঁকা-বাঁকা ঠোঁটে নারীর সুশ্রী হাঁসি,

ঐ হাঁসির প্রতিটি ধ্বনি মনে হয় যেন- – –

দুরন্ত গতিতে পড়ন্ত ঝর্ণার কলকল ধ্বনি !

আমি ভালোবাসি আজও ভালবাসি,

এই বাংলার প্রকৃতির ছবি।

 

মোরে ডাকিয়া নারী যখন তাহার মনের কথা কয়,

মনে হয় যেন শীতের শিশিরে শিমুল গাছে

পাখির ডাকাডাকির কিচিরমিচির ধ্বনি শোনা যায় !

বাতাসের দোলায় দুলতে থাকে যদি নারীর এলোকেশ,

তখনই মনের প্রতিছবিতে ভেসে আসে

কোন এক নদীর চরে দুলছে কাঁশবনের দেশ।

 

একি অপরূপ প্রকৃতির সুন্দর মায়াজাল,

এই বাঁধন থেকে কেউ ছাড়া পাবেনা কেউ কোন কাল !

আহ্ ! একি অপরূপ প্রকৃতির সুন্দর মহাকাল।